বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

নতুন এক রংধনু উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা

বার্তাবাহক ডেস্ক : বিজ্ঞান মহলে রংধনুর ব্যবহার কম নয়। বেশিরভাগ সায়েন্টিফিক পেপারেই রংধনুর রংগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের মাঝেই তর্কের অভাব নেই। অনেকেই বলেন, রংধনু ব্যবহার করলে তা রংকানা মানুষের কোনো কাজেই আসে না। এমনকি অন্যদের জন্যও তা খুব একটা কার্যকরী নয়।

সায়েন্টিফিক আমেরিকান জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় রাসায়নিক এবং জৈবিক ডাটা অ্যানালিস্ট জেমি নুনেজ মন্তব্য করেন, চট করে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য রংধনু কার্যকর বটে। কিন্তু রংধনু ব্যবহার করে তথ্য উপস্থাপন করলে সেটা বুঝতে পারাটা মোটেই সহজ নয়। কারণ রংধনু আসলে যে ক্রম অনুযায়ী সাজানো, তা খুব একটা কাজের না। বিজ্ঞান গবেষণার তথ্য দেখার সময়ে আমাদের মস্তিষ্ক সেই রংগুলোকেই দরকারি মনে করে, যেগুলো উজ্জ্বল।

এমনকি এটাও দেখা গেছে, রংধনু ব্যবহার করে হৃৎপিণ্ডের একটি থ্রিডি মডেল তৈরি করার কারণে সে হৃৎপিণ্ডে হৃদরোগ শনাক্ত করতে অনেক ভুল করেন গবেষকরা। অন্যদিকে লাল-কালো রঙের একটি টুডি মডেল ব্যবহারে অনেকটাই সঠিকভাবে হৃদরোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এসব সমস্যার সমাধান করতে জেমি নুনেজ এবং ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জির কিছু গবেষক একটি কালার স্কেল তৈরি করেন যা প্রচলিত রংধনুর তুলনায় কার্যকরী। আমাদের পরিচিত রংধনুকে বিজ্ঞান মহলে বলা হয় জেট, আর নতুন এই রংধনুকে বলা হচ্ছে সিভিডিস। এর রংগুলো হলো গাড় নীল থেকে হালকা হলুদ পর্যন্ত। রংকানা মানুষও এই রংধনুর রংগুলোর মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারবে এবং কোনটি গাড় ও কোনটি হালকা তা বুঝতে পারবে। তবে সিভিডিস রংধনুতে রং কম বলে এটা তেমন একটা জনপ্রিয় হবে না বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকরা।

সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close